Friday, March 22, 2013

একজন আফরুজা



ভিডিওটি দেখুন 
এবং তার নিজের মুখেই শুনুন!


একটা ডানা কাটা পাখি।
যার সামনে সবুজ মাঠ থাকে,উপরে নীল আকাশ থাকে, কিন্তু সে ছট-ফট করে কেন জানেন? তার পাখাটা বাঁধা থাকে, প্রচন্ড মনোবল থাকা সত্যেও সে পাখা মেলে উড়তে পারে না।যার পাখা দুটো স্থবির হয়ে থাকে, শুধু একটু সাহায্যের হাত বাড়ানোর জন্য।পাখিটার একটু সাহায্যের প্রয়োজন।পাখিটার একটু সহানুভূতির প্রয়োজন।আজকে এখানে আমরা অনেক ডানা কাটা পাখি রয়েছি যাদের পখাগুলো বাঁধা।আমাদের মনোবল দরকার।আমাদের পাশে কারো দাঁড়ানোর প্রয়োজন।আমি আজকে অনেক আবেগ আপ্লোত।জীবনে প্রথম মেধার মূল্যায়ন পাচ্ছি।এত বড় একটা অনুষ্ঠানে আমাদেরকে সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে।আমার জন্মের সময়-আমি যেই ঘরে জন্মেছি সেই ঘরে কেরোসিন তেল ছিল না।মেয়ে হয়ে জন্মেছি বলে আমার দাদা কেরোসিন তেল এনে দেয় নি।আমার আম্মু খুব কষ্ট পেয়েছিলেন।অনেক কান্না করেছেন।তখন আমাকে বুকে জড়িয়ে নাকি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন-আমাকে মানুষ করবেন।যদিও এত দূর আসার পেছেনে আমার মায়ের ও আমার বাবার অবদান অনেক বেশি।আমাদের কোন জমি জমা কিছুই ছিল না। শুধু মাত্র তাদের মনোবলের উপর ভিত্তি করে এত দূর আসতে পেরেছি।ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স পওয়ার পরেও আমাকে চিন্তা করতে হয়েছে-আমি ওখানে পড়তে পারব কি না। আম্মুকে আমি বারবার বলেছি, আম্মু আমি ওখানে পড়তে পাড়ব তো?আর একবার চিন্তা করেছি যে, রংপুর ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হব কি না।অনেক স্বপ্ন-ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হব।আমি যে এখানে পড়তে আসব, ভাড়াটা পর্যন্ত যোগার করা কঠিন ছিল।রাত্রে চিন্তা করতাম যে, আমি ভাইবা দিতে যাইতে পারবো তো?আমাদের এই প্রতিকূল অবস্থা। একটা যিনিস আপনারা চিন্তা করতে পারেন স্যার-একটা স্টুডেন্ট যে গোল্ডেন প্লাস পেয়েছে, আর এক্টা স্টূডেন্টও গোল্ডেন প্লাস পেয়েছে-একজনের পড়ার টেবিলে তার মা দুধের গ্লাস হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।আর, আর একজনকে টেবিলে বসে চিন্তা করতে হয় যে, সে পরদিন সকালে কি খাবে? কি খেয়ে সে কলেজে যাবে? কি খেয়ে সে স্কুলে যাবে?একটা বাচ্চা, আমি ঢাকায় এসে দেখেছি আমার এক আত্মীয়ের বাসায়।তার মা তার পেছনে খাবারের বাটী নিয়ে দৌড়া-দৌড়ি করে।আর আমারই পাশের বাড়ী-আমি দেখেছি, আমি লালমনির হাট জেলা থেকে এসেছি।যেখানে ৫ ডিগ্রি/ ৬ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।আপনারা যদি কখনো শীতের দিন সেখানে দেখতে যান দেখতে পাবেন-, সেখানে কতো প্রখর শীত?,কতো প্রচন্ড শীত!এই শীতের দিন সেই বাচ্চাটা-আগের দিনে ঠান্ডা ভাত মরিচ দিয়ে একটা দেড় বছরের বাচ্চা কে তার মা খাওয়াচ্ছে।চিন্তা করতে পারেন স্যার? আর, আর একটা বাচ্চা সে খাবে না।হরলিক্স, নুডুলস, মিষ্টি তার পিছনে পিছনে নিয়ে ঘোরা হচ্ছে, সে খাবে না, তাকে জোর করে খাওয়ানো হচ্ছে।
এই যে বৈষম্য, এই যে গোল্ডেন প্লাস কিভাবে মূল্যায়ন করবেন আপনারা? একজন খাবার পাচ্ছে না। আর একজনের পেছনে খাবার নিয়ে দৌড়া-দৌড়ি করা হচ্ছে।কি ভাবে মূল্যায়ন করবেন স্যার?এই যে সার্টিফিকেট! আমরা যে এত দূর আসতে পেরেছি, কিভাবে আসছি? কারা আমাদেরকে সাপোর্ট দিচ্ছে?মাথায় হাত বুলানোর মত কেউ নেই।আজকে আমি আপনাদের অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট করে কিছু কথা বলছি- দুখু মিঞা নজরূল হয়েছিলেন সত্যি স্যার, রফিজুদ্দিন দারগার ছেলে, কিন্তু স্যার, দুখু মিঞা কখন পুষ্প মাল্য পেয়েছিলেন জানেন! যখন সে নির্বাক হয়ে গিয়েছিল।আমরা তাঁকে কখন পুষ্পমাল্য দিয়েছি! কি পেয়েছেন তিনি!, পুষ্পমাল্য তিনি কখন পেয়েছেন! তার যখন পুষ্পমাল্য পেলে ভাল লাগত, তার অনুভূতি সে জানাতে পারত, তখন আমরা তাকে কারাগারে রেখেছি, তখন তিনি কারা বাস পেয়েছেন,আর আমরা যখন তাঁকে পুষ্পমাল্য দিয়েছি তখন তিনি স্থবির হয়ে গিয়েছেন, তখন আর তিনি কিছু বলতে পারেন নি। কিছু পেয়ে যান নি। কিছু চিকিৎসা, কোন কিছুই তিনি পান নি।সেই দুখু মিঞা সেই কাজী নজরুল ইসলামের মত হতে চাই স্যার,কিন্তু দুখু 
মিঞার মত কষ্ট পেতে চাই না। পুষ্পমাল্য আমরা নির্বাক হয়ে পেতে চাই না।আপনারা আমাদেরকে পুষ্পমাল্যটা আমাদের যখন পাওয়া উচিৎ যখন পেলে আমরা আমাদের অনুভূতি এরকম ভাবে জানাতে পারব, এরকম এক ফোটা অশ্রু ফেলতে পারব সবাই মিলে, তখন আপনারা আমাদের পুষ্পমাল্যটা দিয়েন।আমাদের সবারই দায়িত্ব আছে।ইসলামী ব্যাংক-বাংলাদেশে তো অনেক ব্যাংক আছে।কত সম্পদশালী মানুষ আছে। কত কোটিপতি মানুষ আছে-কেউ তো এগিয়ে আসে না।এরকম একটা ব্যাংক আমাদের জন্য এগিয় আসছে।আমি তাদের প্রতি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।তারা আমাদের পাশে এসে দাড়িয়েছেন। উষ্ণতার হাত বাড়িয়েছেন। একটা ডানা কাটা পাখিকে আকাশে উড়বার স্বপ্ন দেখিয়েছেন।আপনারা আমাদের স্বপ্নের সাথী হয়ে দাঁড়িয়েছেন।আজকে যদি এই অনুষ্ঠানটা কোন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়, আমি বলতে চাইবো সমাজের বিত্তশালী মানুষ-আপনারা একটু এগিয়ে আসবেন।আপনাদের বাচ্চার এত বহু মূল্য খেলনা কিনে না দিয়ে একটা ছোট 
বাচ্চার একবেলার অন্ন সংস্থান হতে পারে-এটা একটা চিন্তা করবেন। আমরা যখন দিনের পর দিন খাবারের চিন্তায় পড়াশুনাটা ঠিকভাবে খোলা মন নিয়ে করতে পারি না।কিন্তু তখন আমারই এক সমপাঠিকে দেখেছি-কোটী পতির মেয়ে সে। আমি যখন চিন্তা করতাম-কিভাবে আমি ভাল রেজাল্ট করব, কিভাবে আমি পড়াশুনা করব! সে তখন চিন্তা অরত কোন রকম একটা রেজাল্ট করে একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবে। কিন্তু আমি চিন্তা করতাম যে আদো আমি ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত যাইতে পারব কি না। আমার ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত যাওয়ার সক্ষমতা থাকবে কি না। কিন্তু সে চিন্তা করত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার।এই যে বৈষম্যতা, এই যে তফাতটা ।আমরা বের হয়ে কি দেখব! কি পাব আমরা। আমাদেরকে কে স্বপ্ন দেখাবে?
আমি আবারও ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ 
জানাচ্ছি,তাদের এই মহৎ উদ্যোগের জন্য।
একটা ডানা কাটা পাখি
যার সামনে সবুজ মাঠ থাকে,উপরে নীল আকাশ থাকে, কিন্তু সে ছট-ফট করে কেন জানেন? তার পাখাটা বাঁধা থাকে, প্রচন্ড মনোবল থাকা সত্যেও সে পাখা মেলে উড়তে পারে না।যার পাখা দুটো স্থবির হয়ে থাকে, শুধু একটু সাহায্যের হাত বাড়ানোর জন্য।পাখিটার একটু সাহায্যের প্রয়োজন।পাখিটার একটু সহানুভূতির প্রয়োজন।আজকে এখানে আমরা অনেক ডানা কাটা পাখি রয়েছি যাদের পখাগুলো বাঁধা।আমাদের মনোবল দরকার।আমাদের পাশে কারো দাঁড়ানোর প্রয়োজন।আমি আজকে অনেক আবেগ আপ্লোত।জীবনে প্রথম মেধার মূল্যায়ন পাচ্ছি।এত বড় একটা অনুষ্ঠানে আমাদেরকে সংবর্ধনা দেয়া হচ্ছে।আমার জন্মের সময়-আমি যেই ঘরে জন্মেছি সেই ঘরে কেরোসিন তেল ছিল না।মেয়ে হয়ে জন্মেছি বলে আমার দাদা কেরোসিন তেল এনে দেয় নি।আমার আম্মু খুব কষ্ট পেয়েছিলেন।অনেক কান্না করেছেন।তখন আমাকে বুকে জড়িয়ে নাকি প্রতিজ্ঞা করেছিলেন-আমাকে মানুষ করবেন।যদিও এত দূর আসার পেছেনে আমার মায়ের ও আমার বাবার অবদান অনেক বেশি।আমাদের কোন জমি জমা কিছুই ছিল না। শুধু মাত্র তাদের মনোবলের উপর ভিত্তি করে এত দূর আসতে পেরেছি।ঢাকা ভার্সিটিতে চান্স পওয়ার পরেও আমাকে চিন্তা করতে হয়েছে-আমি ওখানে পড়তে পারব কি না। আম্মুকে আমি বারবার বলেছি, আম্মু আমি ওখানে পড়তে পাড়ব তো?আর একবার চিন্তা করেছি যে, রংপুর ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হব কি না।অনেক স্বপ্ন-ঢাকা ভার্সিটিতে ভর্তি হব।আমি যে এখানে পড়তে আসব, ভাড়াটা পর্যন্ত যোগার করা কঠিন ছিল।রাত্রে চিন্তা করতাম যে, আমি ভাইবা দিতে যাইতে পারবো তো?আমাদের এই প্রতিকূল অবস্থা। একটা যিনিস আপনারা চিন্তা করতে পারেন স্যার-একটা স্টুডেন্ট যে গোল্ডেন প্লাস পেয়েছে, আর এক্টা স্টূডেন্টও গোল্ডেন প্লাস পেয়েছে-একজনের পড়ার টেবিলে তার মা দুধের গ্লাস হাতে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকে।আর, আর একজনকে টেবিলে বসে চিন্তা করতে হয় যে, সে পরদিন সকালে কি খাবে? কি খেয়ে সে কলেজে যাবে? কি খেয়ে সে স্কুলে যাবে?একটা বাচ্চা, আমি ঢাকায় এসে দেখেছি আমার এক আত্মীয়ের বাসায়।তার মা তার পেছনে খাবারের বাটী নিয়ে দৌড়া-দৌড়ি করে।আর আমারই পাশের বাড়ী-আমি দেখেছি, আমি লালনির হাট জেলা থেকে এসেছি।যেখানে ৫ ডিগ্রি/ ৬ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকে।আপনারা যদি কখনো শীতের দিন সেখানে দেখতে যান দেখতে পাবেন-, সেখানে কতো প্রখর শীত?,কতো প্রচন্ড শীত!এই শীতের দিন সেই বাচ্চাটা-আগের দিনে ঠান্ডা ভাত মরিচ দিয়ে একটা দেড় বছরের বাচ্চা কে তার মা খাওয়াচ্ছে।চিন্তা করতে পারেন স্যার? আর, আর একটা বাচ্চা সে খাবে না।হরলিক্স, নুডুলস, মিষ্টি তার পিছনে পিছনে নিয়ে ঘোরা হচ্ছে, সে খাবে না, তাকে জোর করে খাওয়ানো হচ্ছে।
এই যে বৈষম্য, এই যে গোল্ডেন প্লাস কিভাবে মূল্যায়ন করবেন আপনারা? একজন খাবার পাচ্ছে না। আর একজনের পেছনে খাবার নিয়ে দৌড়া-দৌড়ি করা হচ্ছে।কি ভাবে মূল্যায়ন করবেন স্যার?এই যে সার্টিফিকেট! আমরা যে এত দূর আসতে পেরেছি, কিভাবে আসছি? কারা আমাদেরকে সাপোর্ট দিচ্ছে?মাথায় হাত বুলানোর মত কেউ নেই।আজকে আমি আপনাদের অনেক মূল্যবান সময় নষ্ট করে কিছু কথা বলছি- দুখু মিঞা নজরূল হয়েছিলেন সত্যি স্যার, রফিজুদ্দিন দারগার ছেলে, কিন্তু স্যার, দুখু মিঞা কখন পুষ্প মাল্য পেয়েছিলেন জানেন! যখন সে নির্বাক হয়ে গিয়েছিল।আমরা তাঁকে কখন পুষ্পমাল্য দিয়েছি! কি পেয়েছেন তিনি!, পুষ্পমাল্য তিনি কখন পেয়েছেন! তার যখন পুষ্পমাল্য পেলে ভাল লাগত, তার অনুভূতি সে জানাতে পারত, তখন আমরা তাকে কারাগারে রেখেছি, তখন তিনি কারা বাস পেয়েছেন,আর আমরা যখন তাঁকে পুষ্পমাল্য দিয়েছি তখন তিনি স্থবির হয়ে গিয়েছেন, তখন আর তিনি কিছু বলতে পারেন নি। কিছু পেয়ে যান নি। কিছু চিকিৎসা, কোন কিছুই তিনি পান নি।সেই দুখু মিঞা সেই কাজী নজরুল ইসলামের মত হতে চাই স্যার,কিন্তু দুখু 
মিঞার মত কষ্ট পেতে চাই না। পুষ্পমাল্য আমরা নির্বাক হয়ে পেতে চাই না।আপনারা আমাদেরকে পুষ্পমাল্যটা আমাদের যখন পাওয়া উচিৎ যখন পেলে আমরা আমাদের অনুভূতি এরকম ভাবে জানাতে পারব, এরকম এক ফোটা অশ্রু ফেলতে পারব সবাই মিলে, তখন আপনারা আমাদের পুষ্পমাল্যটা দিয়েন।আমাদের সবারই দায়িত্ব আছে।ইসলামী ব্যাংক-বাংলাদেশে তো অনেক ব্যাংক আছে।কত সম্পদশালী মানুষ আছে। কত কোটিপতি মানুষ আছে-কেউ তো এগিয়ে আসে না।এরকম একটা ব্যাংক আমাদের জন্য এগিয় আসছে।আমি তাদের প্রতি আন্তরিক ভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।তারা আমাদের পাশে এসে দাড়িয়েছেন। উষ্ণতার হাত বাড়িয়েছেন। একটা ডানা কাটা পাখিকে আকাশে উড়বার স্বপ্ন দেখিয়েছেন।আপনারা আমাদের স্বপ্নের সাথী হয়ে দাঁড়িয়েছেন।আজকে যদি এই অনুষ্ঠানটা কোন সংবাদ মাধ্যমে প্রচারিত হয়, আমি বলতে চাইবো সমাজের বিত্তশালী মানুষ-আপনারা একটু এগিয়ে আসবেন।আপনাদের বাচ্চার এত বহু মূল্য খেলনা কিনে না দিয়ে একটা ছোট 
বাচ্চার একবেলার অন্ন সংস্থান হতে পারে-এটা একটা চিন্তা করবেন। আমরা যখন দিনের পর দিন খাবারের চিন্তায় পড়াশুনাটা ঠিকভাবে খোলা মন নিয়ে করতে পারি না।কিন্তু তখন আমারই এক সমপাঠিকে দেখেছি-কোটী পতির মেয়ে সে। আমি যখন চিন্তা করতাম-কিভাবে আমি ভাল রেজাল্ট করব, কিভাবে আমি পড়াশুনা করব! সে তখন চিন্তা অরত কোন রকম একটা রেজাল্ট করে একটা প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবে। কিন্তু আমি চিন্তা করতাম যে আদো আমি ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত যাইতে পারব কি না। আমার ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত যাওয়ার সক্ষমতা থাকবে কি না। কিন্তু সে চিন্তা করত প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হবার।এই যে বৈষম্যতা, এই যে তফাতটা ।আমরা বের হয়ে কি দেখব! কি পাব আমরা। আমাদেরকে কে স্বপ্ন দেখাবে?
আমি আবারও ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ 
জানাচ্ছি,তাদের এই মহৎ উদ্যোগের জন্য।

No comments:

Post a Comment