কখনও নব্য রূপের ডালি নিয়ে ভাষারা চেতনায় উঁকি
দিয়ে ঝিক মিক করে উঠে মনের আঙ্গিনায়।
কখনো বা অনুভূতির জানালায় ডালিয়া ফুল ফোটে
ঝির ঝির হাওয়ায় স্পন্দিত হয়ে উঠে এক মুঠো
সুখের স্পর্শ।
কখনও বা মানব সমুদ্রে ঘটে যাওয়া কদর্য; ঘৃণিত;
ধিক্কৃত চিত্রগুলো মানস আকাশে কাল বৈশাখী ঝর হয়ে
ধ্বংসের তাণ্ডব লীলা চালিয়ে লন্ড-ভন্ড করে দিয়ে যায়,
তখন মনে হয় কালের সুবিশাল আকাশে ধুলোর অণূ হয়ে
উড়তে থাকে অসহায়ের মতো এ চেতনা।
মানস সাগরে ভাবনাগুলো সিন্ধু তরঙ্গের অগণিত
ফেনার মতো নিয়ন্ত্রণহীন ভেসে উঠে আবার মিশে যায়
জলতরঙ্গের স্পন্দনে।
ইচ্ছে হয়, সুখের উপকরণ যদি
সুবিশাল সিন্ধুর জলসম হতো এগুলো দু’মুঠ ভরে
ওদের মুখে হাসি ফোটাতে বিলানো যেতো যাদের
মলিন বদন, অথবা ছেড়া মলিন পোশাক, জীর্ণশীর্ণ দেহাবয়ব,
নিত্য দিনের জঠরজ্বালায় চোখের অসহায়
দৃষ্টি যেন সমগ্র বিশ্বকে জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিতে চায়,
যাদের সাধারণ কোন স্বপ্ন নেই, আছে শুধু এক টুকরো রুটি
বা এক মুঠো সাদা ভাতের নিত্য দিনের অভাবের হাহাকার!
No comments:
Post a Comment